1. live@moktitv.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.moktitv.com : Mokti TV :
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১২:০১ অপরাহ্ন

সিংড়ায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ভর্তুকি মূল্যে নাটোরের সিংড়ার কৃষকদের মাঝে ৪টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ১০টি মেইজ শেলার, ৬টি রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টার, এবং ৭টি পাওয়ার স্প্রেয়ারসহ প্রায় ৮১ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি যন্ত্রপাতি হস্তান্তর করছি।

অনুষ্ঠানের সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিম তাবাসসুম প্রভার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সিংড়ার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেন আমাদের চলনবিল শস্য ভাণ্ডার এবং মৎস্য ভাণ্ডার হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে সুপরিচিত। ফলে, ফসলে, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর চলনবিল দিনে দিনে আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।

আমাদের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন ছিলো এদেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। বঙ্গবন্ধুর সেই অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে সফল করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের অচলাবস্থার মধ্যেও আমাদের ১৭ কোটি মানুষের মুখে আহার তুলে দিচ্ছে সাড়ে ৩ কোটি কৃষক-শ্রমিক ভাইবোনেরা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের জন্য প্রতিবছর হাজার হাজার টাকা ভর্তুকি প্রদান করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, যদি ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের সংস্থান হয় তাহলে আমরা অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতি অর্জন করতে পারবো। গত ১৫ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে আমাদের কৃষক-শ্রমিকদের স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলতেন, ‘সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই’, আমাদের কৃষক-শ্রমিক ভাইয়েরাই হচ্ছেন সেই সোনার মানুষ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বল্পসম্পদ দিয়ে করোনাকালীন সময়ে কৃষিশ্রমিকের সংকট মোকাবিলা করতে পেরেছিলাম। যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি আমাদের কৃষিতে এআই, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবটিক্স ও আইওটি’র মত স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় এসেছে। স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন স্মার্ট কৃষক একাই একটা বড় খামারের রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে। নিকট ভবিষ্যতে আমরা হয়তো দেখবো দূরনিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন কৃষিযন্ত্রপাতি আমাদের কৃষকদের মাঝে চলে আসবে। আমরা যাতে এসব ভবিষ্যৎমুখী প্রযুক্তির শুধু ব্যবহারকারী না হয়ে সেগুলো নিজেরাই উদ্ভাবন করতে পারি, সেজন্য মাননীয় আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভাই আমাদেরকে স্মার্ট কৃষি প্রকল্প গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

পলক বলেন গত কয়েকদিন আগেই আমরা বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য মেলা ‘ডিজিটাল পল্লীঃ স্মার্ট ভিলেজ এক্সপো’র আয়োজন করেছি। এখন ‘স্মার্ট ভিলেজ’ প্রকল্পের আওতায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খরচ কমানো, বাজারজাতকরণ, ই-কমার্সের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের প্রয়োগ নিশ্চিত করে আমাদের কৃষি ও কৃষককে স্মার্ট কৃষি ও কৃষকে রূপান্তর করতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের কৃষকদেরকে ক্যাশলেস ট্রানজেকশনের সাথে পরিচিত করাতে। সাড়ে ৩০০ কিলোমিটার খাল খননের বাইরেও আমরা ৪ হাজার কোটি টাকার ‘চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্প’ হাতে নিয়েছি। চলনবিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে চলনবিলের কৃষি ও কৃষকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের যে রূপকল্প আমাদের সামনে দিয়েছেন সেখানে দেশের সকল শিল্পকে স্মার্ট করে গড়ে তোলা হবে। স্বল্প সম্পদ ব্যবহার করে টেঁকসই উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা করে আমাদের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত